একই পরিবারের ১১ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের পাশে জেলা প্রশাসক

  • Dhaka Compass Dhaka Compass
  • Update Time : ০৯:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ১৯ Time View
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারে একই পরিবারের ১১ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর পাশে জেলা প্রশাসন, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও নতুন পোশাক বিতরণ করেন।
সাম্প্রতিক বন্যায় পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপনের খবর প্রকাশের পর মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার একই পরিবারের ১১ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা প্রশাসন। মানবিক সহায়তা প্রদানের ধারাবাহিকতায় এবার তাদের এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ মোট ১৪ জনের জন্য বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শনিবার ১৮ জুলাই জেলা প্রশাসক  তৌহিদুজ্জামান পাভেল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীনদের খোঁজখবর নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল শিকদার, জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক চিকিৎসাধীনদের সার্বিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ নেন এবং তাদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বন্যায় রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের কড়াইয়া হাওরসংলগ্ন দক্ষিণ ইসলামপুর গ্রামের একই পরিবারের ১১ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পানিবন্দী হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন। চারদিকে বন্যার পানি থাকায় তারা দীর্ঘ সময় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মানবেতর জীবন কাটান। জীবিকার কোনো সক্ষমতা না থাকায় তারা সম্পূর্ণভাবে অন্যের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। তাদের করুণ অবস্থার খবর প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।
এরপর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষ এবং পাঁচটি অন্ধ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী, শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। সেই মানবিক উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতায় এবার চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন পোশাক প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয়রা জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং জীবনমান উন্নয়নে সরকারি সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে মনে করেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Dhaka Compass

Dhaka Compass

ঢাকা কম্পাসের শুভ উদ্বোধন: সত্য, নিরপেক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার নতুন দিগন্ত

একই পরিবারের ১১ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের পাশে জেলা প্রশাসক

Update Time : ০৯:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারে একই পরিবারের ১১ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর পাশে জেলা প্রশাসন, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও নতুন পোশাক বিতরণ করেন।
সাম্প্রতিক বন্যায় পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপনের খবর প্রকাশের পর মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার একই পরিবারের ১১ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা প্রশাসন। মানবিক সহায়তা প্রদানের ধারাবাহিকতায় এবার তাদের এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ মোট ১৪ জনের জন্য বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শনিবার ১৮ জুলাই জেলা প্রশাসক  তৌহিদুজ্জামান পাভেল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীনদের খোঁজখবর নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল শিকদার, জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক চিকিৎসাধীনদের সার্বিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ নেন এবং তাদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বন্যায় রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের কড়াইয়া হাওরসংলগ্ন দক্ষিণ ইসলামপুর গ্রামের একই পরিবারের ১১ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পানিবন্দী হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন। চারদিকে বন্যার পানি থাকায় তারা দীর্ঘ সময় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মানবেতর জীবন কাটান। জীবিকার কোনো সক্ষমতা না থাকায় তারা সম্পূর্ণভাবে অন্যের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। তাদের করুণ অবস্থার খবর প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।
এরপর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষ এবং পাঁচটি অন্ধ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী, শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। সেই মানবিক উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতায় এবার চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন পোশাক প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয়রা জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, এই পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং জীবনমান উন্নয়নে সরকারি সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে মনে করেন।