প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন, যুক্ত হলো ৭ নতুন শর্ত

  • Dhaka Compass Dhaka Compass
  • Update Time : ০৮:৪৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ১৬ Time View

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদায়ন নীতিমালায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় বদলি কমিটির কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে সাতটি নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সংশোধিত নীতিমালা জারি করা হয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বদলি কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দুজন করে বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি সদস্য হিসেবে থাকবেন। আগে সেখানে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের রাখার বিধান ছিল। এ ছাড়া জাতীয় বদলি কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি)। এর আগে এ দায়িত্বে ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব।

সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, চাকরির ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো সহকারী শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একবার বদলি হলে পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত পুনরায় বদলির আবেদন করা যাবে না। কেবল শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের আবেদন ছাড়া সাধারণভাবে বদলি করা যাবে না। তবে জনস্বার্থে জাতীয় বদলি কমিটির অনুমোদনসাপেক্ষে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম করা যাবে।

এ ছাড়া পাঁচজন বা তার কম শিক্ষক থাকা কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০-এর বেশি এমন বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক বদলি করা যাবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক আবেদন হলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অগ্রাধিকার পাবেন। একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ তিনজন শিক্ষককে সংযুক্তি পদায়ন করা যাবে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকদের স্থায়ী ঠিকানা বা স্বামীর কর্মস্থল/স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
Dhaka Compass

Dhaka Compass

ঢাকা কম্পাসের শুভ উদ্বোধন: সত্য, নিরপেক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার নতুন দিগন্ত

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন, যুক্ত হলো ৭ নতুন শর্ত

Update Time : ০৮:৪৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদায়ন নীতিমালায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় বদলি কমিটির কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে সাতটি নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সংশোধিত নীতিমালা জারি করা হয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বদলি কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দুজন করে বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি সদস্য হিসেবে থাকবেন। আগে সেখানে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের রাখার বিধান ছিল। এ ছাড়া জাতীয় বদলি কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি)। এর আগে এ দায়িত্বে ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব।

সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, চাকরির ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো সহকারী শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একবার বদলি হলে পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত পুনরায় বদলির আবেদন করা যাবে না। কেবল শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের আবেদন ছাড়া সাধারণভাবে বদলি করা যাবে না। তবে জনস্বার্থে জাতীয় বদলি কমিটির অনুমোদনসাপেক্ষে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম করা যাবে।

এ ছাড়া পাঁচজন বা তার কম শিক্ষক থাকা কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০-এর বেশি এমন বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক বদলি করা যাবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক আবেদন হলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অগ্রাধিকার পাবেন। একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ তিনজন শিক্ষককে সংযুক্তি পদায়ন করা যাবে। সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকদের স্থায়ী ঠিকানা বা স্বামীর কর্মস্থল/স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।